Monday, February 26, 2024
No menu items!
CBCBSEC
Home Blog

A new Auxiliary Bishop for Dhaka and a new member of the CBCB!

0

A new Auxiliary Bishop for Dhaka and a new member of the CBCB!

Pope Francis has appointed Fr. Subroto Boniface Gomes as auxiliary bishop of Dhaka archdiocese on Feb. 15, 2024.

Bishop-elect Subroto Gomes was born on Nov. 19, 1962, in Rangamatia in the archdiocese of Dhaka. He was ordained a priest on April 16, 1990, for the clergy of Dhaka.
Msgr. Subroto Gomes obtained a licentiate in philosophy from the Pontifical and Royal University of Santo Tomas.

After ordination, he first served as assistant parish priest of Holy Rosary Church, Dhaka (1990-1993). After studying in Manila (1994-1996), he went on to hold the roles of professor of logic at Notre Dame College, Dhaka (1997-2003), professor at the Holy Spirit Major Seminary, Dhaka (2004-2007), deputy secretary general of the Catholic Bishops’ Conference of Bangladesh (2007-2015), parish priest in Golla, Dhaka (2015-2017), spiritual director of the Holy Spirit Major Seminary, Dhaka (2017-2018), and chancellor of the archdiocese of Dhaka (2018-2019).

Since 2020 he has served as parish priest of the Holy Rosary Church, Tejgaon, Dhaka. He worked as dean of studies of the Holy Spirit Major Seminary in Dhaka, editor in chief of the Theological Journal, secretary of the Fraternity of Diocesan Priests of Bangladesh (BDPF), member of the Regional Planning and Evaluative Committee of Caritas in Bangladesh, and director of various archdiocesan commissions.

The Catholic Bishops’ Conference of Bangladesh (CBCB) cordially greets Bishop-elect Subroto B. Gomes and joyfully welcomes him as a member of the Episcopal Bishops’ Conference.

বাংলাদেশে ভাটিকানের নতুন রাষ্ট্রদূত

বাংলাদেশে ভাটিকানের নতুন রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন মন্সিনিয়র কেভিন রান্ডাল

বাংলাদেশে ভাটিকানের নতুন রাষ্ট্রদূত মন্সিনিয়র কেভিন রান্ডাল

গত ১৩ আগস্ট ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ,  ভাটিকানের পোপীয় দপ্তর থেকে মন্সিনিয়র মারিনকো আন্তলোভিস’র মাধ্যমে বাংলাদেশের ভাটিকানস্থ দূতাবাসের নতুন রাষ্ট্রদূতের নাম ঘোষণা করে এক বার্তা প্রেরণ করেছেন বাংলাদেশের সকল ধর্মপ্রদেশের আর্চবিশপ ও বিশপগণকে।

উল্লেখ্য যে, বাংলাদেশে নবনিযুক্ত ভাটিকানস্থ নতুন রাষ্ট্রদূতের নাম হলো মন্সিনিয়র কেভিন রান্ডাল । তিনি ৬ মে ১৯৬৬ খ্রিস্টাব্দে নিউ লন্ডনের কানেকটিকাট, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ২৫ জুলাই ১৯৯২ খ্রিস্টাব্দে নরউইচ ডায়োসিসে যাজকাভিষেক লাভ করেন।

তিনি মাণ্ডলিক আইন বিষয়ে ডক্টরেট ডিগ্রী লাভ করেন এবং ইংরেজি ভাষাসহ ফরাসি, ইতালিয়ান, স্প্যানিশ এবং জার্মান ভাষায় কথা বলতে পারেন।

মন্সিনিয়র কেভিন রান্ডাল ১ জুলাই ২০০১ খ্রিস্টাব্দে পোপীয় দপ্তরের কূটনীতিক হিসেবে তার দায়িত্ব পালন করতে শুরু করেন। তিনি যেসব দেশে ভাটিকানের দূতাবাসে দায়িত্ব পালন করেছেন, সেগুলো হলো: রুয়ান্ডা, সার্বিয়া, স্লোভেনিয়া, পেরু, দক্ষিণ আফ্রিকা ও মেক্সিকো।

তিনি বাংলাদেশে অ্যাপোস্টলিক নুনসিও বা পোপের প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগের আগ পর্যন্ত অস্ট্রিয়ার অ্যাপোস্টলিক নুনসিয়েচারের কাউন্সেলর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্সিনিয়র কেভিন রান্ডালকে বাংলাদেশের সকল যাজক, ব্রতধারি-ব্রতধারিণী এবং খ্রিস্টভক্তদের পক্ষ থেকে জানাই শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। – প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

তথ্য সূত্র: রেডিও ভেরিতাস এশিয়া বাংলা।

Pope: Diversity of ministries a richness for Church

0
As the 72nd National Liturgical Week opens in Salerno, Italy, Pope Francis expresses his hopes that the meeting will allow for a fruitful deepening in appreciation of the ecclesial ministries in the Church in a perspective of ever greater service.
Cardinal Pietro Parolin, Secretary of State, conveyed the cordial greetings of Pope Francis to the president of Italy’s Liturgical Action Center, Archbishop Claudio Maniago of Catanzaro-Squillace, and to all the participants involved. He said the theme they are discussing – ‘Ministries at the Service of a Synodal Church’ – “holds particular significance for the Church in the present historical moment.” Cardinal Parolin recalled the Pope’s words regarding the Synodal path the Church has undertaken and the need to become “experts in the art of encounter,” and available to help each other “so that the diversity of charisms, vocations and ministries enriches us.”

Pope Francis at the service of peace

0
As Ukraine prepares to mark six months of war, we recall Pope Francis’ countless appeals for peace and the promotion of human fraternity over conflict, even at a time when the “diabolical and perverse logic” of weapons seems to prevail.

খ্রিস্ট ধর্ম যেভাবে ছড়িয়ে পড়ে

0

মসলা আর ভারতীয় মসলিনের খোঁজে ইউরোপ থেকে ১৪৯৮ সালে ভারতে আসার পথ আবিষ্কার করেছিলেন পর্তুগিজ নাবিক ভাস্কো দা গামা। এরপর দলে দলে ইউরোপীয়রা এই উপমহাদেশে আসতে শুরু করে।

তাদের সঙ্গে ভারতে আসে খ্রীস্ট ধর্মও।

সেই শুরুর দিকে ভারতের পশ্চিম উপকূলে গোয়ায় বসতি স্থাপন করেছিল ইউরোপীয়রা – আর সেখান থেকে তারা ছড়িয়ে পড়তে থাকে পুরো ভারতবর্ষ জুড়ে।

বাংলাদেশের চট্টগ্রাম অঞ্চলে পর্তুগিজরা পঞ্চদশ শতকে এলেও তখন তাদের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল ব্যবসা-বাণিজ্য এবং এসব ব্যবসায়ীরা ধর্ম বিস্তারের দিকে খুব একটা নজর দেয়নি।

এই অঞ্চলে খ্রিষ্ট ধর্মের বিস্তার শুরু হয় মূলত মিশনারিদের হাত ধরে।

‘বাংলাদেশে খ্রিষ্টমণ্ডলীর ইতিহাস’ বইতে ফাদার মাইকেল ডি’রোজারিও লিখেছেন, ”১৫০০ সাল থেকে বিভিন্ন যাজক সম্প্রদায়-ফ্রান্সিকান, ডমিনিকান, অগাস্টিনিয়ান প্রভৃতি ব্যবসায়ীদের সাথে পর্তুগাল থেকে ভারতে এসে পর্তুগীজ শাসিত সমুদ্রোপকূলীয় জেলাগুলোতে গির্জা নির্মাণ করতে লাগলেন।”

তিনি লিখেছেন, ১৫১৭ সাল থেকেই পর্তুগীজরা নিয়মিতভাবে জলপথে বাংলা দেশে যাতায়াত শুরু করে। ১৫৩৭ সালে তারা চট্টগ্রাম এবং হুগলীর কাছে সাতগাঁয়ে উপনিবেশ স্থাপন করে। জুলিয়ানো পেরেরা নামের একজন ফাদার ছিলেন সাতগাঁয়ের (হুগলির কাছে) গির্জার দায়িত্বে।

বিডিখ্রীস্টিয়াননিউজ ডটকমের নির্বাহী সম্পাদক এলড্রিক বিশ্বাস বিবিসি বাংলাকে জানান যে ‘১৫৭৭ সালে মুঘল সম্রাট আকবর পর্তুগীজদের তৎকালীন বঙ্গদেশে স্থায়ী বসতি স্থাপন ও গির্জা নির্মাণের অনুমতি দেন।

“পর্তুগীজ বসবাসকারীরাই হলেন বাংলার প্রথম খ্রিস্টান, দেশীয় খ্রিস্টানরা হলেন তাদের বংশধর। পরবর্তীতে খ্রিস্ট ধর্মবিশ্বাসের বিস্তার লাভের মাধ্যমে খ্রিস্টান জনগণের সংখ্যাও বৃদ্ধি পায়।”

ফাদার মাইকেল ডি’রোজারিও তার গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন যে ১৫৭৬ সালে আন্তোনিও ভাজ এবং পেদ্রো দিয়াস নামক দুইজন ফাদার বাংলাদেশে বাস করতেন। কিন্তু তখনও নিয়মিত গির্জা নির্মাণ বা প্রচারণার তেমন কোন ব্যবস্থা ছিল না।

”১৫৯৮ সালে ফাদার ফ্রান্সিসকো এবং ফাদার দমিঙ্গো ডি’সুজা হুগলীতে পৌঁছেন। তার আগে ১৫৮০ সালে পর্তুগিজরা হুগলীতে বসতি স্থাপন করেছিল। তারা পৌঁছে সেখানে তৈরি হওয়া গির্জার দায়িত্ব নিয়ে একটি স্কুল ও হাসপাতাল নির্মাণ করেন।

পরে ১৫৯৯ সালে মেলখিয়র দ্যা ফনসেকা ও আন্দ্রে বভেস নামের দুইজন ফাদার হুগলীতে আসেন এবং চারজনেই চট্টগ্রামে চলে যান।”

সেই সময় চট্টগ্রাম আরাকান রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত থাকলেও ওই এলাকা সত্যিকার অর্থে ছিল পর্তুগিজদের নিয়ন্ত্রণে। আরাকান রাজ খ্রিস্টান ধর্মপ্রচারকদের রাজ্যে ধর্ম প্রচারের অনুমতি দেন। এমনকি তিনি ব্যক্তিগত অর্থে চট্টগ্রামে একটি চ্যাপেলও তৈরি করে দেন।

হুগলী থেকে আসা চারজন ধর্মপ্রচারক তখনকার বঙ্গদেশের বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে যান।

যেমন ফাদার ফার্নান্দেজ চট্টগ্রামে একটি গির্জা ও বাসভবন তৈরি করেন। ফাদার মেলখিয়র বাখরগঞ্জ জেলার (বর্তমানের বরিশাল) বাকলা এলাকায় ধর্ম প্রচার করেন। বাখরগঞ্জের তখনকার হিন্দু রাজা তাদের ধর্মপ্রচার এবং গির্জা স্থাপনের অনুমতি দিয়েছিলেন। এরপর ফাদার ফনসেকা একটি গির্জা নির্মাণের কাজ শুরু করেন।

এলড্রিক বিশ্বাস বলছেন, বাংলাদেশের বর্তমান সাতক্ষীরা জেলার চান্দিকান বা ইশ্বরীপুরে ১৫৯৯ খ্রিস্টাব্দে প্রথম একটি ক্যাথলিক গির্জা নির্মিত হয়, যার নাম ছিল ‘হলি নেম অফ জিসাস’। ১৬০০ খ্রিস্টাব্দের ২৪শে জুন দ্বিতীয় গির্জাটি নির্মিত হয় চট্টগ্রামে – যার নাম ‘সেইন্ট জন দ্যা ব্যাপ্টিস্ট চার্চ’।

আরাকান হামলা এবং বাধা

এক বছর পরেই, ১৬০১ সালে চট্টগ্রামে জন ব্যাপ্টিস্টের গির্জা নির্মাণ করেন ফাদার ফার্নান্দেজ এবং ফাদার বভেজ।

কিন্তু পূর্বে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক থাকলেও সেই সময় পর্তুগিজদের শায়েস্তা করার জন্য আরাকানের রাজা চট্টগ্রামে হামলা করেন।

আরাকান সৈন্যদের হাতে ফাদার ফার্নান্দেজ বন্দী হন এবং কারাগারে মারা যান। ফাদার বভেজকেও বন্দী করা হয়।

সেই সময় বাংলা অঞ্চলে কর্মরত সকল যাজককে কর্তৃপক্ষ দেশে ফিরে যাওয়ার নির্দেশ দেয়।

তবে কয়েক বছর পরে আবার বাংলায় ফিরে আসতে শুরু করেন যাজকেরা। এবার অবশ্য তারা হুগলীতে বসতি স্থাপন করেন এবং সেখান থেকেই তারা ধর্মপ্রচার করতে শুরু করেন।

ঢাকায় খ্রিস্টান সম্প্রদায়

মাইকেল ডি’রোজারিও তার বইতে উল্লেখ করেছেন, ১৬০৮ সালে ইসলাম খান ঢাকা শহরকে বাংলা প্রদেশের রাজধানীতে পরিণত করার পর এখানকার ব্যবসা-বাণিজ্য বেড়ে যায়। ১৬১২ সালে অগাস্টিনিয়ান খ্রিস্ট ধর্মপ্রচারকেরা ঢাকায় নারিন্দায় একটি গির্জা স্থাপন করে ধর্মপ্রচার শুরু করেন।

পরবর্তীতে তারা ঢাকা জেলার শ্রীপুর, লরিকুল এবং কাত্রাবোতে আরও গির্জা তৈরি করেন।

তারা ১৬২১ সালে চট্টগ্রামেও তাদের প্রচার কার্যক্রম শুরু হয়। আরাকানেও একটি চ্যাপেল তৈরি করেন তারা ।

”১৬২১ থেকে ১৬৩২ সাল পর্যন্ত পর্তুগীজরা স্থানীয় মগ উপজাতীয়দের সঙ্গে মিলে ভয়াবহ লুটতরাজ করতে থাকে এবং বহু হিন্দু-মুসলমানকে বন্দী করে নিয়ে যায়। এর প্রতিশোধস্বরূপ পর্তুগীজদের হুগলীস্থ ঘাঁটি ধ্বংস করার জন্য ১৬৩২ সালে মুঘল সম্রাট বাংলার নবাবকে আদেশ দেন,” লিখেছেন মাইকেল ডি’রোজারিও।

‘বাংলাদেশে খ্রিষ্টমণ্ডলীর ইতিহাস’ বইয়ে তিনি উল্লেখ করেছেন, ”নওয়াব কর্তৃক হুগলী শহর লুটপাট করার সময় অগাস্টিনিয়ানদের মঠাশ্রম, গির্জা, বাসভবন প্রভৃতি আগুনে ভস্মীভূত করা হয়। এই সময় কয়েকজন যাজক মারা যান। ঢাকাতেও মুসলমানরা মঠগুলোকে আক্রমণ করে”।

তবে ১৬৪০ সালের দিকে তৎকালীন সরকার ফাদারদের বিশেষ সুযোগ সুবিধা দান করে।

সেই সময় ঢাকার খ্রিস্টান সম্প্রদায় নারান্দিয়া এবং পুলগাড়িতে বাস করতো। তেজগাঁয়ের জপমালা রাণী মারিয়ার গির্জাটি ১৬৭৯ সালে নির্মাণ করা হয়। এটি ছিল তখন পূর্ব বাংলার প্রধান গির্জা। গাজীপুরের নাগরী ইউনিয়নে সেইন্ট নিকোলাস গির্জা নির্মিত হয় ১৬৯৫ সালে।

একই সময় ঢাকা, বাখরগঞ্জ, নোয়াখালী প্রভৃতি জেলায় পর্তুগীজদের ছোট ছোট উপনিবেশ ছিল। সেখানেও তারা আশেপাশের অনেক মানুষকে খ্রিস্ট ধর্মে দীক্ষিত করেন।

বাংলাদেশ অঞ্চলে খ্রিস্ট ধর্মের শুরুর দিক

মাইকেল ডি’রোজারিও ১৬৮২ সালের একটি জরিপের তথ্য উল্লেখ করে লিখেছেন, সেই সময় বাংলা দেশে ২৭ হাজার বয়স্ক খ্রিস্টানের মধ্যে পূর্ব বাংলায় ছিল ৭,১২০ জন – ঢাকায় ২০০০, চান্দিপুর ২০০০, লরিকুল ২০০০, তেজগাঁও ৭০০, যশোর ৪০০ এবং ভূষণায় ২ জন।

তিনি উল্লেখ করেন, ভূষণার (বর্তমান ফরিদপুর) রাজপুত্র খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করার ফলে তার এলাকার হাজার হাজার মানুষ এই ধর্মে দীক্ষিত হতে শুরু করেন। তার পূর্বের নাম জানা যায় না, তবে খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করার পর তিনি দোম আন্তোনিও নাম গ্রহণ করেছিলেন।

নওয়াব হুগলী আক্রমণ করার পর পশ্চিমবঙ্গে পর্তুগীজদের প্রভাব হ্রাস পেতে থাকে। তবে পূর্ববঙ্গে তাদের আধিপত্য বজায় ছিল। কিন্তু ১৬৬৮ সালে শায়েস্তা খাঁ চট্টগ্রাম দখল করার পর তাদের প্রভাব সম্পূর্ণ বিলুপ্ত হয়। তাদের স্থানে জায়গা করে নেয় ইউরোপীয় অন্যান্য দেশের যাজকরা।

সেই সময় ঢাকার বাইরে ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম, খুলনায় ধর্মপ্রচার করতে শুরু করেন খ্রিস্টান যাজকরা।

‘বাংলাদেশে খ্রিষ্টমণ্ডলীর ইতিহাস’ বইয়ে ফাদার মাইকেল ডি’রোজারিও লিখেছেন, ফাদার বার্বিয়ার ১৭১৫ সালে বাংলাদেশের খ্রিস্টানদের সম্পর্কে যে রিপোর্ট দিয়েছিলেন, সেখানে তিনি উল্লেখ করেছেন, বাংলাদেশে তিন ধরনের খ্রিস্টান ছিল:

  • ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ইউরোপীয়রা
  • ভাড়াটে সৈন্য (মুঘলদের অধীনে কর্মরত সৈন্য – মূলত পর্তুগীজ ও ভারতীয় বংশোদ্ভূত)
  • খ্রিস্টধর্মে দীক্ষা-প্রাপ্ত (ধর্মান্তরিত) অবিশ্বাসীগণ

মুঘল আমলে মুসলমানদের প্রকাশ্যে খ্রিস্টধর্মে দীক্ষিত করতে পারতো না যাজকরা। কারণ বাদশাহের অনুমতি ছাড়া তারা যেমন ধর্ম পরিবর্তন করতে যেত না, তেমনি সেটা করলে যাজকদেরও বিপদে পড়তে হতো।

ফলে অনেকেই গোপনে খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করতেন। এদেরকে ‘গুপ্ত খ্রিষ্টান’ বলে বাংলাদেশে খ্রিষ্টমণ্ডলীর ইতিহাস বইতে উল্লেখ করা হয়েছে।

উইলিয়াম কেরি এবং ভারতে খ্রিস্ট ধর্ম

এলড্রিক বিশ্বাস বলেন, বাংলা দেশে খ্রিস্টধর্ম প্রচারে যার অবদান সবচেয়ে বেশি, তিনি হলেন ড. উইলিয়াম কেরি। তিনি কলকাতায় আসেন ১৭৯৩ সালে। সেখানে তিনি অবৈতনিক পাঠশালা খোলেন এবং দু’টি কলেজ স্থাপন করনে। ১৮০৯ সালে তিনি বাইবেলের পুরাতন ও নতুন নিয়ম বাংলায় অনুবাদ করে মুদ্রণ করেন।

এতদিন যারা ধর্মপ্রচারক করেছেন, তারা সবাই ছিলেন ক্যাথলিক সম্প্রদায়ের। তবে উইলিয়াম কেরি ছিলেন প্রটেস্ট্যান্ট।

ড. কেরি দিনাজপুরে বাংলাদেশের প্রথম ব্যাপ্টিস্ট গির্জা স্থাপন করেন ১৭৯৬ সালে।

বিদেশি যাজকদের বাইরে বাংলাদেশের যেসব ব্যক্তিরা খ্রিস্টধর্ম প্রচারে বিশেষ ভূমিকা রেখেছিলেন, তাদের মধ্যে ভূষণের রাজপুত্র দোম আন্তোনিওর মতো আরও রয়েছেন বিক্রমপুরের শিবনাথ দত্ত চৌধুরীর ছেলে গগন চন্দ্র দত্ত, গোপালগঞ্জের মথুরানাথ বোস প্রমুখ।

‘বাংলাদেশে খ্রিষ্টীয় মণ্ডলীর ইতিহাস’ বইতে অধ্যাপক দিলীপ পণ্ডিত উল্লেখ করেছেন যে আঠারো শতকের দিকে সারা বাংলায় ছড়িয়ে পড়তে শুরু করেন খ্রিস্টান ধর্মপ্রচারকরা। বিশেষ করে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীগুলোর অনেক সদস্য খ্রিস্ট ধর্ম গ্রহণ করেন তখন।

ময়মনসিংহ, রাজশাহী, খুলনা, দিনাজপুর, রংপুর, কুষ্টিয়া, নওগাঁ, নাটোর, সিলেট এবং পার্বত্য জেলাগুলোর নানা অংশে যাজকরা ছড়িয়ে পড়েন।

এসব এলাকায় গির্জা তৈরির পাশাপাশি অনেক স্কুল-কলেজ তৈরি করা হয়, ফলে সেখানকার সুবিধাবঞ্চিত ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সদস্যরা আধুনিক শিক্ষা পেতে শুরু করেন।

এর পাশাপাশি তাদের জন্য চিকিৎসা ও কাজের সুযোগ তৈরি করা হয়। ফলে এসব ছোট ছোট জনগোষ্ঠীর সদস্যদের অনেকেই খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করেন।

খ্রিস্টধর্ম

0

খ্রিস্টধর্ম (গ্রিক: Χριστιανισμός; হিব্রু ভাষায়: נצרות‎; আরবি: المسيحية‎‎; আরামীয়: ܡܫܝܚܝܘܬܐ‎) একটি অব্রাহামীয় একেশ্বরবাদী ধর্ম যা নাসরতীয় যীশুর জীবন ও শিক্ষার ওপর ভিত্তি করে প্রবর্তিত হয়। অনুসারীর সংখ্যা অনুযায়ী এটি পৃথিবীর বৃহত্তম ধর্ম; এর অনুসারী সংখ্যা প্রায় ২৫০ কোটি। এর অনুসারীগণ—যারা খ্রিস্টান হিসেবে পরিচিত—১৫৭টি দেশ ও অঞ্চলের সংখ্যাগুরু জনগোষ্ঠী, এবং তারা বিশ্বাস করে যে যীশু হলেন ঈশ্বরের পুত্র, যাঁর মশীহ বা খ্রীষ্ট হিসেবে আগমনের ব্যাপারে হিব্রু বাইবেল বা পুরাতন নিয়মে ভবিষ্যদ্বাণী করা হয়েছে এবং নতুন নিয়মে তা বিবৃত হয়েছে।

খ্রিস্টধর্ম সাংস্কৃতিকভাবে এর পশ্চিমা ও পূর্বদেশীয় শাখাগুলোর মধ্যে এবং পরিত্রাণের প্রকৃতি ও প্রতিপাদন, যাজকাভিষেক, মণ্ডলীতত্ত্ব ও খ্রিস্টতত্ত্ব বিষয়ক মতাদর্শে বৈচিত্র্যময়। খ্রিস্টানদের সাধারণ ধর্মমত অনুসারে যীশু হলেন ঈশ্বরের পুত্র ও পুত্র ঈশ্বরের অবতার—মাংসে মূর্তিমান বাক্য—যিনি পরিচর্যাদুঃখভোগ ও ক্রুশারোপিত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছিলেন, কিন্তু পরবর্তীতে মানবজাতির পরিত্রাণের জন্য মৃতদের মধ্য থেকে পুনরুত্থিত হয়েছিলেন, যা বাইবেলে সুসমাচার তথা “সুখবর” বলে অবিহিত হয়েছে। সাধু মথিমার্কলূক ও যোহন লিখিত চারটি ধর্মসম্মত সুসমাচারের পাশাপাশি এর পটভূমি হিসেবে ইহুদি পুরাতন নিয়ম হল যীশুর জীবন ও শিক্ষার বিবরণী।

যীশু কে?

0

যীশু ছিলেন একজন গালীলীয় ইহুদি।বাপ্তিস্মদাতা যোহন কর্তৃক দীক্ষিত হবার পর তিনি পরিচর্যা ও প্রচারণা শুরু করেন। তিনি মৌখিকভাবে প্রচারকার্য করতেন। প্রেরিতগণ প্রায়শই তাঁকে “রব্বি” বলে সম্মোধন করতেন।

জাতীয় শিক্ষা মহা সম্মেলন – ২০১৮। প্রোগ্রাম সময়সূচী

0

প্রোগ্রাম সময়সূচি ফাইলটি ডাউনলোড করতে নীচে ক্লিক করুন। এখানে ফাইলটি আপলোড করা হয়েছে।

PASTORAL MATTERS DESCRIPTION

0

With immense joy, I would like to inform you all that the Catholic Bishops’ Conference of Bangladesh (CBCB) has decided to publish a newsletter regularly. Please down load pastoral matters to see pastoral related issues for your kind information.

A. Draft Summary of certain aspects of Liturgical norms from the “General Instruction of the Roman Missal”

  1. The observance of the norms is meant for more devotional celebration of the Liturgy and to foster a spirit of Communion in the Church through the divine worship. Therein lies also the holiness of liturgy.
  2. Strict use of the approved liturgical text [no individualistic changes ]
  3. The Priest is the leader also for the devotion in liturgy.
  4. Singing also by the Celebrant should be given preference on Sunday / solemn masses. Musical instruments: (air…) minimum . Lent [none], no flowers.
  5. Simplicity and Beauty in Liturgy: in matter related to dress, vestments, vessels, altar, lectures, chairs, decorations, statues etc., voice, singing, musical instruments, microphone, gestures, general spirit of silence etc.
  6. “Tumi” form of official liturgical text may be used by the celebrant always.
  7. “Word of the Lord. ..” Acclamation only in Liturgy /Mass; [at Office or public reading, it is meditative, no acclamation /response.]
  8. Set up at the Sanctuary:
    • Chair of the Celebrant (not in front of the Tabernacle, not a throne): From beginning to Prayer of the Faithful, final prayer and blessing and dismissal
    • Ambo (lectern):Reading, Responsorial Psalm (no songs or hymns), Gospel : no announcements etc from the Ambo, but from another place
    • Altar: from Offertory to Communion
  9. General Movements and Postures:
    • Stand: beginning to Collect Prayer (only one collect), Alleluia / Chant for Gospel, Credo and Prayer of Faithful, from “Pray Brethren” after Offertory to the end of Mass, except as indicated below.
    • Sit: Readings to Gospel acclamation, Homily, preparation of gifts, (after Communion)
    • kneel: (after Communion), (at the consecration), ( after Sanctus to end of Eucharist
    • To observe moments of silence before /after some of the actions.
  10. Mass with Congregation:
    • Altar: covered with white cloth, candles 2/4/6 on or near ( 7 if diocesan Bishop celebrant), cross ( only one cross, on or near ), Book of the Gospels.
    • Chair: Missal, hymnal
    • Ambo: lectionary
    • Credence table: chalice, etc… ( or at place for procession )
    • vestments ( in sacristy) : i) Priest:  alb, stole, chasuble ; ii) Deacon: alb, stole, (dalmatic); iii) other ministers: alb or approved attire.
    • Procession: cross, candles, book of Gospels, incense may be carried during procession, (then placed as indicated).
  11. Entrance: priest venerates altar with kiss; (incenses cross and altar: priest not incensed), goes to chair, sign of cross and greeting formula ( he or a minister may give short introduction [ better given by another person / minister, need not be a regular thing ]
  12. Initial rite: standing: follow prescribed rite of Penance, Gloria, and Collect (with longer conclusion).
  13. Liturgy of the Word: all sit.  Priest may give brief introduction [better to omit]
    • First reading
    • Responsorial psalm: other hymn not allowed [only scriptural]
    • Second reading: after which no hymn, but only Alleluia etc
    • Gospel: takes Book of Gospels from Altar, raised; at “reading..” makes cross on the book,  and he and congregation three times on self;
    • Homily: from the chair, ambo or any other suitable place [ not altar]
    • Creed: (intoned by the priest) ; at ” incarnatus est..” bow, kneel on Nativity and Annunciation Feasts.
    • Prayer of the Faithful: Introduces, and concludes with hands extended.
  14. Liturgy of the Eucharist: all sit
    • Offering of bread and wine: ( prayer aloud, if  no singing). Washing of fingers /hand by pouring water from cruet.
    • Incense: ( offering, altar, cross; deacon or minister incense celebrant and people.
    • Orate Fratres… People stand . Prayer :short ending.
    • Euchairstic Prayer:  i) II on Weekdays. III Sundays   ii) 2 concelebrants read the intercessory prayers, iii) name of the local ordinary mentioned, no other bishop present; ( permitted to mention name or auxiliary or coadjutor by name, or collectively if several )  iii) appropriate to sing parts allowed.
    • Prayer for peace is said by celebrant only hands extended.
    • Celebrant says quietly everything until ” Behold the Lamb of God…”
    • Only the celebrant including deacon may take host or drink from chalice directly, others receive the host or cup /intinction from the celebrant(s)—even those who distribute communion receive vessel from the celebrant..
    • Desirable:hosts consecrated in the same Mass
    • Vessels maybe purified at the altar, credence table or another place even after the Mass
    • Celebrant may return to the chair for moments of silence..
  15. Concluding Rite: to be done from the chair or the altar. Prayer short ending (” Ite Missa est: hands joined.

**May 2008: 3 more formular added: i) Ite ad evangelium Domini annunciandum, ii) Ite in pace glorificando vita vestra Dominum, iii) Ite in pace.

B. Draft Summary of certain aspects of Liturgical norms from the “General Instruction of the Roman Missal”

I. General Observation:

  1. End of period of “experimentation”: The past years have been a rich period of looking into celebrating the Sacred Liturgy in the local vernacular and imbued in devotional aspects of local culture. This has been a period of “experimentation” as well. Now the Church intends that we need to have a more settled form of Sacred Liturgy, and within it keeping open also possibility for noteworthy inculturation etc. in the future.
  2. Liturgy leading to communion with God and community: The general liturgical norms are meant for greater devotional celebration of the Liturgy and to foster a spirit of Communion in the Church, universally and locally. The spirit of communion safeguards the holiness of the liturgy and the mystery.

Outwardly the approved common texts, rites and rubrics, common prayer and singing, etc help create and manifest the inner spirit of communion and the inner beauty of the Liturgy.

a) The Celebrant: as leader for the total devotion in the celebration of the Liturgy, fostering, sustaining and creating communion, safeguarding the beauty and holiness of the Liturgy, through the outward communion.

b) Approved liturgical texts and rubrics etc. : strict use of these helps to preserve the intended communion, beauty etc in liturgy with the universal and with local Church. [Thus there should be no individualistic changes, additions etc. The entire local Church, with approval of the Holy See, may do certain limited changes as adaptation. ]

c) Simplicity is the fruit of devotion, beauty, holiness and communion: While we have occasion to use elaborate texts, decorations, actions etc in other social celebrations, Liturgy, especially the Holy Mass, as the most sober spiritual celebration, requires simplicity but profoundness in all those matters.

aa) Text of the Prayers of Liturgy: these reflect scriptural texts, sober and succinct, not elaborate, in composition.

bb) Natural and simpler materials rather than artificial and overly decorative materials are preferred, as regards cloths and vestments, altars, statues, chairs, ambo, lecterns, vessels, lights (altar candles, tabernacle light.), incense, flowers and colors etc.

cc) Objects distinctly for Liturgical use: chalice-paten-ciboria, altar cloths candle/flower holders, basic chairs, missal /books, washing bowls, and towels (preferably white) [cf. Holy Thursday], incense container, etc.

dd) Simplicity, harmony and beauty in matters related to voice and sound in speaking and singing, and in gestures and actions; and in the use and coordination with musical instruments, microphone, etc.

ee) General spirit of silence: moments of silence as indicated by rubrics, spirit of silence in the sacristy, around the church building, during immediate preparation for the liturgy ( such as at the time of vesting) etc. Adding non-liturgical items within liturgical context disturbs the general devotional silence of liturgy: if at all necessary, they must be well controlled and kept to the minimum.

3. Word of God and the Liturgy: The text of the NT especially of the Gospels is not merely simple historical and catechetical narrative, but is imbued with the faith and devotion of the worshipping Church.The liturgical texts bear much affinity to the Word of God, and has prime place next to the Word of God.

We need to pay “scriptural attention” to the liturgical texts: the liturgical prayers are as if “prayers” arising from the heart of God, distinct from prayers coming from our own hearts, such our prayers of intercession, or in privaate prayers and devotions. . [N.B.: the Catholic Catechism has a section on Liturgy ( Prayer as Worship / celebration of the Sacraments)- Part 2,  and on Christian Prayer, personal prayer etc –  Part 4.

Everything at the section of Celebration of the Word of God as Mass are taken from the Scriptures: readings, responsorial psalms, etc. Merely devotional hymns are not allowed here. In fact strictly liturgical songs/hymns are with the text from Scriptures..

As we require a faithful translation of the Word of God in our own languages, so also we need a faithful translation of the liturgical texts, and a good combination of the two in our Liturgy / Worship in the vernacular.

4. Singing in Liturgy: Singing is an important part in Liturgy, its character is simplicity, voice is more prominent than instruments; “air” instruments are preferred. Traditionally the Celebrant and the People are to sing in simpler tunes, the choir can have a little more elaborate tune, but still in general simplicity. Singing by celebrant should be given preference on Sunday / solemn Masses. Participation of the faithful in singing is essential.

Scriptural texts as indicated in Liturgy are to be texts of liturgical singing, especially at the Liturgy of the Word. The Roman Missal has well indicated Scripture text for hymns for the Mass throughout the year.

Liturgical singing requires good preparation (practice), especially from the part of the choir; and good blending of voices as if singing “in one voice” is most important, along with good blending of accompanying instruments, and good adjustments with the microphone and loud-speakers. The Music director or Choir Master has to look after these matters of liturgical singing, in consultation with proper authority.

II. Set up at the Sanctuary:

  • The Altar: in the Middle in a prominent place, as simple as possible, without extra objects on or near it. Celebrant is at the Altar from the time of Offertory until Communion (or end of Mass), with only two con-celebrants on his sides at con-celebrated Mass.

On the Altar: a) the Gospel Book up to the reading of the Gospel; b) corporal, purificator, chalice, paten, ciboria and Missal from the time of offertory to communion or purification of chalice etc. c) candles can be on the Altar, flowers near the Altar. No other objects on or close to the Altar.

Cross: Only one (large) Cross with the Corpus, on the wall or near the Altar (if carried at procession)

  • Chair of the Celebrant (in principle not in front of the Tabernacle; not a throne, but simple graceful chair, straight rather than reclining):

Celebrant is to at the Chair a) from Beginning of Mass until Prayer of the Faithful, and b) for the final prayer and blessing and dismissal.

  • Ambo (lectern): only for Scripture Readings, Responsorial Psalm, Gospel, (and homily). Announcements etc:  not from Ambo, but from another convenient lectern or place.

There can be a Credence Table at the side of the altar . Chairs for concelebrants placed as convenient, keeping decorum of the sanctuary, also chairs for servers etc.

III. General Movements and Postures:

  • Stand: i) from the Entrance to Collect Prayer, ii) at Acclamation and reading of Gospel, iii) Credo and Prayer of Faithful, iv) from “Pray Brethren” after Offertory to “Holy, Holy..”; v) during the “Our Father” prayer; vi) Final Prayer to Dismissal.
  • Sit: i) Readings up to Gospel acclamation, ii) Homily, iii) preparation of gifts, iv) after Communion; v) during announcements.
  • Kneel: i) congregation kneels during the Eucharistic Prayer, and ii) from breaking of the bread and communion until the Final Prayer.

IV) Mass with Congregation: Sunday Mass:

All Standing

  • Procession (if held): a) incense first, then cross- corpus facing ahead, lighted candles. Entrance hymn. b) Ministers go to their places. Book of Gospel is carried, and placed on the altar. Main celebrant kiss/ touch with hands or forehead the altar at the middle. c) Celebrant incenses the altar and the cross. Celebrant is not incensed.
  • Beginning of the Mass: Celebrant at the Chair with assistants. He greets the congregation with official text as given. He may give a short introduction.

Penitential rite (simple recognition of sins and asking of forgiveness) or Sprinkling with Holy Water on Sundays, especially in Easter season, and on Feast days.

Gloria if to be said (intoned by priest, or cantor or choir)

Opening prayer , preceded by moment of silence (long ending, only one prayer).

All sit

  • Liturgy of the Eucharist:
    • Offering of bread and wine: offerings are brought from the back and / or from the credence table by server/ minister. Prayers are said aloud, if there is no singing. If needed more than one chalice should be prepared at this time, not at the time of communion.
    • Incense: Celebrant puts incense in the “thurible”, incenses the gift, then the altar and the cross; a minister incenses the celebrant at the side of the altar, then the other celebrants, and then the congregation.
    • At “pray brethren..”  all stand
    • As elsewhere in Liturgy, especially in the Eucharistic Prayer it is important to keep faithfully to the official text.
    • In concelebrated Mass only Two con-celebrants assist at the Altar, and say the usual final intercessory sections of the Eucharistic Prayer.
    • Mention of the name of the Bishop: i) only the name of the Ordinary of the diocese, not other bishops present; and it is permitted to mention the auxiliary /coadjutor by name ( if several, only globally ). The Ordinary as main celebrant in another diocese is to say: “me your unworthy servant and our brother (name of local Ordinary..)”
    • The Prayer for Peace: to be said by the celebrant alone, hands extended. Sign of peace is expressed to persons nearby only, in reticent manner. .
    • Breaking of the Bread: the prayers said quietly by celebrant, aloud only: “Behold the Lamb of God … .”
    • Rite of Communion: In general Celebrant(s) receive directly the bread and wine; the deacon(s) and extraordinary ministers for distribution receive them from the hand of the principal celebrant.
    • Distribution of communion: All receive the consecrated host from the hand of the priests, deacons or extraordinary ministers, not directly from the vessel. Distribution should be done keeping devotion and spirit of silence. Communion under both kinds is encouraged. It is recommended to receive bread consecrated in the same Mass and at least some persons receiving host from the same bread of the Celebrant.
    • Brief silence after Communion. Celebrant goes to the Chair. all sit or kneel
    • Announcements: not from the Ambo, another place. sit
  • ClosingRites: all stand
    • The celebrant concludes the Mass from the Chair or from the Altar.
    • Leaving the altar: kiss or profound bow at the altar, and veneration;

V) Certain Other Norms and observations:

  • Incensing: i) 3 swings to the Blessed Sacrament, relic of Holy Cross, images of the Lord, offerings of the sacrifice of the Mass, book of Gospel, Pascal candle, the priest, and the people.  ii) 2 swings to relics or images of saints, after incensing of the altar.
  • Communion by intinction: intinction is done by the one distributing   communion, not by the receiver  (except in the case of celebrant priest)
  • Vestments, altars cloths etc: should be of natural fabrics, as general rule.
  • The vigil lamp for the Blessed Sacrament should be of natural oil / wax.
  • Sacred species on the altar: on the corporal, not merely on  altar cloth.
  • Tables, chairs, towels, bowls, etc: should be of white or simple color, bearing decorum, distinctively for liturgical use only.
  • Reading of the Word of God outside of Mass: at private reading, Hour of the Office, at functions, etc as meditation ending is in silence, no closing words such as “This is the word of God” and response, which is only in liturgy when the reading is a Proclamation.
  • Images: placed publicly there should be only one image of any given Saint.
  • Chapel of Adoration: Blessed Sacrament may not remain exposed without some person physically present for adoration. Exposition may be limited to certain hours only when persons are available for adoration.
  • Liturgical singing: a) there is a general lack of discipline in the use of the voice and instruments and microphones as regards proper blending of these. Much training is needed in this regard. b) It is better to use prescribed and limited number of approved hymns, rather than always bringing in new ones. The congregation should be able to join in the singing, at least for the common parts (Kyrie, Glora, Holy Holy, Acclamation after Consecration, Our Father, Lamb of God ..).
  • Spirit of silence and devotion: in all movements in the Church especially in the sanctuary, in putting on and taking off liturgical vestments, in distributing and receiving the Holy Communion, [ better to avoid clapping, but express joys, honors in other ways– by standing, bowing, joining hands  etc ]
  • Distribution of Communion: It is good not to rush, as it is a most devotional moment for the receiver. If need be we may increase the number of ministers or cut down time elsewhere in liturgy. It is good to not fill up the ciborium up to the top, to enable easier and “safer” distribution.
  • The Host: [Care should be taken that the host is fresh, not “stale”. Preserved hosts should be changed within a short period, esp. during humid seasons].
  • Items that are of more social / ‘cultural’ nature: to be done outside, or before / afterwards in limited way; [ joy / honor be expressed outside or in different ways in the liturgy itself, not clapping at least for our oriental tradition..]
  • Thanking for the participation in liturgy: this is a recent development. Our present tendency to thank “profusely” everyone (bishop, guests, choirs, etc) at each regular celebration is not customary, except at special occasions perhaps. Expressing thanks is of course important, and parish may do that at parish meetings etc.It is also our duty to do what we have to do in Liturgy. At any rate we should use simple expression of thanks.
  • Introductions / commentaries: [Better if given by another minister or announcer other than the Main celebrant; not to make this long, nor a regular thing. Better, if the celebrant as Official limits his sayings to the official text; he can mention relevant points at the homily]
  • Incense plate: [need not be decorated with flowers, etc ]
  • Background of the Altar in a Church / chapel: [In Church or chapel: the scene behind the Altar should have a precise plan and be of permanent nature. Occasional special statue, photo, poster etc to mark special occasion should not be directly at the back of the Altar, but prominently at one side or elsewhere in the Church…]
  • Extraordinary announcements: Extraordinary announcements, instructions etc should be done after the “Prayer after Communion”.

Episcopal Commission for Liturgy and Prayer

Feb 2010

C. The final draft of the FABC Plenary: “Living the Eucharist in Asia

Comments from the Catholic Bishops’ Conference of Bangladesh (CBCB) :

A. The main Body of the draft organizes the global reflection basing on the celebration of the Liturgy of the Eucharist, with three sections to the three theological virtues of Faith (Liturgy of the Word), Hope (Liturgy of the Eucharistic Sacrifice) and Charity/Love (Liturgy of Communion).

The Bangladesh Conference feels that the whole celebration of the liturgy of the Eucharist is to be seen in its entirety as celebration of the mystery of Faith, Hope and Love, and a call to live these and proclaim to others. It does not seem opportune to see the Liturgy of the Word as distinctly “living in Faith”, the Eucharist itself as “living in Hope” and the Communion as “Living in Love”

But it will be good that one section of the document deal substantially with the main elements in the Eucharistic Celebration, as has been in the draft, but in a more concise shorter form.

B. The document can be organized in the following manner:

  1. Introduction: indicating the emphasis on the Eucharist in recent magisterium (as in the present draft ).
  2. Theological Perspectives of the Eucharist: A short section that can pick up the main points from the recent papal documents and theological teaching on the Eucharist:
    • Eucharistic Amazement: The Mystery of Faith: Its Centrality in Christian Devotion. Worship and Living. Leading the earthly human life into its divine and eternal quality..
    • Eucharist as Sacrifice: A spiritual Sacrifice: the “self offering of life (“giving life” rather than “taking life”)
    • Eucharistic meal: sacrificial meal: participation in the spiritual sacrifice of one another in Jesus to build up communion and community.
    • The Eucharist as Body and as Food: The splendor and glory of the human body as it participated on earth in the sacrificial body of Jesus, especially in the lives of the poor and the suffering humanity. The dignity and “sanctity” of the earthly food as it sustains the earthly body to bear the soul and the spirit to function toward sacrificial love.
    • Church as built up by the Eucharist and proclaim the same for the world.
    • The Beauty of the Sacrificial Love. The call for the human person and community to manifest its inner Beauty and splendor in living the Eucharistic love and life. A call for the Church ( the celebrant and the community) to a devotionally most beautiful celebration of this mystery ( ” ars celebrandi” )
  3. The Celebration of the Eucharist: a shorter presentation of the related parts in the present draft, without indicating a progression into faith, hope and love/charity in the liturgy itself. It will be good to reflect on a) the daily bread as indicated below, also to reflect on

MOST REV. SHOROT FRANCIS GOMES

0

Auxiliary Bishop                     :           Most Rev. Shorot Francis Gomes

Date of Birth and Place          :           15 December 1965

Vill.                                         :           Hashnabad, Hashnabad  Parish

Dist.                                        :           Dhaka-1320

Ordained Priest                       :           31 May 1991

Elected Auxiliary Bishop of

Dhaka Archdiocese                 :           08 February 2016

Ordination as Auxiliary

Bishop of Dhaka                     :           22 April 2016

Installation in Sylhet                :           20 July 2021

Residence                                :          Bishop’s House

Porgona Bazar, P.O. Khadim Narar, Box no. 75

Dist. Sylhet – 3100 Bangladesh

Mobile                                     :           (00 88) 01712213069

E-mail                                      :           frshorot43@gmail.com